ভুক্তভোগীর ফোন পেয়ে পাসপোর্ট অফিসে ছুটে গেলেন এমপি বাবর
নিজস্ব প্রতিবেদক
14 October 2026, 11:53 AM
গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দিনের পর দিন নানা অনিয়ম ও সেবাগ্রহীতারা নানভাবে হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে দেশের একাধিক পত্রিকাসহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর নড়ে-চড়ে বসে জেলা প্রশাসন।
গত ১১ অক্টোবর গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং সেবাগ্রহীতারা যেন কোন ধরনের হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার না হন, সে বিষয়ে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর এবং গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (উপসচিব) মো. আরিফ-উজ-জামান গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক নাহিদ নেওয়াজকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
এরপরও মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গ্রাহকরা হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাউত খামার এলাকা থেকে নতুন পাসপোর্ট করার জন্য যথাযথভাবে আবেদন ফরম পূরণ করে সকাল ৮টায় এসে পাসপোর্ট অফিসের নিচতলায় ১০১ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত বাপ্পু মিত্রের কাছে আবেদন ফরম জমা দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ান। সার্ভার সমস্যাসহ নানা অজুহাতে রানাসহ আরও কয়েকজনের আবেদন ফরম দুপুর পর্যন্ত জমা নেননি। অথচ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অন্যান্যদের আবেদন ফরম জমা নেন।
নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী রানা স্থানীয় মানবাধিকার ও গণমাধ্যমকর্মীকে এম সাইফুর রহমানের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবরকে বিষয়টি জানান। বিষয়টি অবগত হয়ে সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ভুক্তভোগী রানাকে সাথে নিয়ে সহকারী পরিচালক (এডি) নাহিদ নেওয়াজের কক্ষে প্রবেশ করেন। এডি নাহিদ নেওয়াজ আবেদন ফরম পর্যালোচনা করে মুহূর্তেই পাসপোর্টের আবেদন জমা নেন। এ সময় সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক নাহিদ নেওয়াজসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক হয়ে সেবা প্রদানের নির্দেশ প্রদান করেন।
সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ভুক্তভোগীদের কথা শুনেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরপ্রধানকে দিয়ে তা মুহূর্তেই সমাধান করেন।